সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

১০ টি রহস্য যা সব প্রফেশনালরাই মেনে চলেন

  ১। মানুষকে সবার সামনে প্রশংসা করেন আর কারোর কাজের সমলোচনা করতে হলে তাকে সবার সামনে থেকে আলাদা করে তার ভুলগুলো ধরিয়ে দেন। ২। রাস্তায় অন্যের সাথে কথা বলার সময় সানগ্লাস খুলে কথা বলুন। এটি অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার একটি চিহ্ন কারণ আপনার চোখের চাওয়া আপনার কথা বলার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ৩। অন্যের কথা বলার সময় কখনোই বাধা দিবেন না। অন্যের মতামত শেষ হবার পর নিজের মতামত উপস্থাপন করুন। ৪। আপনার শব্দগুচ্ছের পরিধি বৃদ্ধি করুন। আপনি অনেক দক্ষে পরিণত হবেন। ৫। যদি আপনি অনলাইনে কাজ করেন এবং নিজের ফোনকে নিজের কাজের বাধা মনের করেন তবে এটাকে সম্পূর্ণ অফ করে অন্য রুমে রেখে দিন। ৬। এবারের বিল যদি আপনার বন্ধু দেয় তবে পরের বার আপনি দিন। ৭। কেউ আপনার কাছে পরামর্শ না চাওয়ার আগে পরামর্শ দেবেন না তাতে আপনি শুধু অবহেলা পাবেন। ৮। কারো কাছ থেকে ধার নিলে তা সময়ের মধ্যে ফেরত দেয়ার চেষ্টা করবেন। এটি আপনার দায়িত্ববোধ প্রকাশ করে। ৯। যখন কেউ আপনাকে তার মোবাইল থেকে ছবি দেখায় তখন গ্যালারি এর ডান বা বামের দিকে যাবেন না । কারণ আপনি জানেন না পরের ছবিতে কি আছে। ১০। কেউ যখন আপনার উপকার করতেছে তখন তাঁকে ধন্যবাদ জানান ।...

কিছু উপদেশ যা আমাদের প্রতিনিয়ত মনে রাখা উচিত

1 ফকির হলেও নতুন কিছু শিখতে পারবেন। 2 সব সময় নিজের মূল্য বুঝতে শিখুন। আত্মসম্মান বোধ অনেক বড় ব্যাপার । 3 কেউ যেতে চাইলে যেতে দিন। ধরে রাখতে চাওয়াটা খুবই বোকামি। 4 প্রচুর পড়াশোনা করুন। মাস্টার্স পাস করলেই পড়াশোনা শেষ এমনটা ভাবা ঠিক ন 5 অন্যের সঙ্গে আলোচনা করুন কিন্তু সিদ্ধান্ত আপনিই নেবেন। 6 লোকে আপনাকে নিয়ে কি ভাবলো কিংবা কি বললো এসবে একদম কান দেবেন না। 7 প্রচুর পানি পান করুন। পানি পান করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এটা আপনি ভাবতেও পারবেন না। 8 নিজেকে ভালোবাসুন। নিজেকে ভালো না বসতে পারলে আপনি অন্যকে ভালো বাসতে পারবেন না। 9 মাঝে মধ্যে নিজের সঙ্গে কথা বলুন। এটা অনেক বেশি প্রয়োজনীয় বিষয়। 10 জীবনে অপ্রয়োজনীয় লোকের সংখ্যা কমিয়ে দিন। 11 ইন্টারনেট বিতর্ক থেকে দূরে থাকুন। 12 কারো মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করবেন না। মনোযোগ চাওয়ার বিষয় না মনোযোগ অর্জন করার ব্যাপার। 14 মানুষকে সাহায্য করুন। একসময় তিনগুণ ফেরত পাবেন। 15 নিজের সুস্থতা - কে প্রাধান্য দিন। 16 যে আপনাকে বুঝবে না তাকে ব্যাখা দিতে যাবেন না। 17 সময় এবং টাকা এই দুটো কে অসম্মান করবেন না। 18 মাঝে মধ্যে সব কিছু থেকে বিরতি নিন। আপনি রোবট নন...

আন-অফিসিয়াল ফোন কি? || আন-অফিসিয়াল ফোনগুলো বাংলাদেশে এতো পরিমাণে আসে কিভাবে? || আন-অফিসিয়াল ফোন এর রহস্য

   আন-অফিসিয়াল ফোনগুলো বাংলাদেশে এতো পরিমাণে আসে কিভাবে? প্রচুর পরিমাণে ফোন তো ব্যক্তিগতভাবে ট্রাভেল করে আনা যায় না, তাহলে কিভাবে আসে এতো পরিমাণ ফোন? আর এরা করই বা কিভাবে ফাঁকি দেয়? আনঅফিশিয়াল ডিভাইসের পরিচিতি বাংলাদেশে মূলত শাওমি আসার পর থেকে। তারপর থেকেই এসব ডিভাইসের সাথে তরুণদের পরিচয় এবং বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। অনেকে আনঅফিশিয়াল ফোনের সাথে ক্লোন ডিভাইসগুলো মিলিয়ে ফেলেন। কিন্ত তা নয়। কেনার সময় অবশ্যই এ ব্যাপারে সাবধান থাকবেন। আনঅফিশিয়াল ডিভাইসগুলো ৩ ধরনের হয়ে থাকে। ১. চোরাই ফোনঃ  আপনি হয়তো এগুলোর কথাই বলছেন। এসব মোবাইল সাধারণত চীন থেকে ট্যাক্স ফাকি দিয়ে আনা হয়। আনার সময় বক্স খুলে আনা হয়। বড় কোন লাগেজে ফোনগুলো একসাথে এবং বক্স গুলো আলাদা ভাবে আনা হয়। সাধারণত ট্রাভেলার হিসেবে আসার সময় তারা এগুলো নিয়ে আসে। অন্যান্য চোরাই জিনিসও হয়তো এভাবেই আনা হয়। আবার ফোন কেনার সময়ও আপনি সিলড বক্স পাবেন না। এভাবেই এসবের ট্যাক্স ফাকি দেয়া হয়। বর্তমানে ইমপোর্ট করা ফোনে ৫৭% ভ্যাট বসানো হয়েছে। তাই অফিশিয়াল ডিভাইসের সাথে প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা কম হয়ে থাকে প্রতি ২০ হাজারে। তবে অবশ্যই ফোনগুলো...