সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ই-পাসপোর্ট ফি || ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে

 ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে? ই-পাসপোর্ট ফি এবং প্রদানের বিকল্পগুলি শেষ আপডেট: ২০২০ অক্টোবর ব্যাংক পেমেন্ট ই-পাসপোর্ট ফি বাংলাদেশের নিম্নলিখিত একটি ব্যাঙ্কে প্রদান করা যেতে পারে: ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, উযধশধাকা ব্যাংক। ৪৮-পৃষ্ঠাগুলি এবং ৫ বছরের মেয়াদ সহ ই-পাসপোর্ট ১৫ কার্যদিবসের / ২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৪,০২৫ টাকা এক্সপ্রেস বিতরণ ৭ কার্যদিবসের / ১০ দিনের মধ্যে: ৬,৩২৫ টাকা  ২ কার্যদিবসের মধ্যে সুপার এক্সপ্রেস বিতরণ: ৮,৬২৫ টাকা ৪৮-পৃষ্ঠা এবং ১০ বছরের মেয়াদ সহ ই-পাসপোর্ট ১৫ কার্যদিবসের / ২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৫,৭৫০ টাকা এক্সপ্রেস বিতরণ ৭ কার্যদিবসের / ১০ দিনের মধ্যে: ৮,০৫০ টাকা ঞ ২ কার্যদিবসের মধ্যে সুপার এক্সপ্রেস বিতরণ: ১০,৩৫০ টাকা  ৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছরের মেয়াদ সহ ই-পাসপোর্ট ১৫ কার্যদিবসের / ২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৬,৩২৫ টাকা এক্সপ্রেস বিতরণ ৭ কার্যদিবসের / ১০ দিনের মধ্যে: ৮,৬২৫ টাকা  ২ কার্যদিবসের মধ্যে সুপার এক্সপ্রেস বিতরণ: ১২,০৭৫ টাকা  ৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছরের মেয়াদ সহ ই-পাসপোর্ট ১৫ ...

বিকাশ মার্চেন্ট নিতে হলে কি করতে হবে?

  বিকাশ মার্চেন্ট নিতে হলে আপনার ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স, নাম এবং অন্যান্য তথ্যাদি দিয়ে বিকাশ অথোরিটির সাথে কনটাক্ট করতে হবে। একাউন্ট করার সময়ই আপনার জানিয়ে দিতে হবে যে আমার API লাগবে। মার্চেন্ট একাউন্ট পেয়ে গেলে আপনি বিকাশ থেকে sandbox ইউজার, পাস, app_id পাবেন। এরপর সেই স্যান্ডবক্স টেস্টিং করে রেন্সপন্স বিকাশ অথোরিটির কাছে মেইক করতে হবে। তারপর বিকাশ অথোরিটি response গুলো ভেরিফাই করলে পরের মেইলে ফাইনাল ইউজার, পাস, app_id দিবে

How to create Lightroom own preset || Lightroom preset

থিমফরেস্ট এর সিক্রেট || earn more from theme forest serrate 2020

থিমফরেস্ট নিয়া যারা কাজ করেন, তাদের অনেকের মধ্যে একটা হতাশা দেখা যায় যে সেল হচ্ছে না বা কমে যাচ্ছে। তখন তাদের কে থিমফরেস্টের এলগরিদমকে দোষ চাপিয়ে দিতে দেখি। তার কারণ কি শুধুই এলগরিদম!! আপনাদের মতামত জানতে চাই। আমার ধারণাঃ ০১। ম্যাক্সিমাম সেম নিশ নিয়ে কাজ করেন। ০২। এমন প্রচুর নিশ রয়েছে যেগুলোর থিম থিমফরেস্টে খুবই কম। আদতে নাই বললেও চলে। কিন্তু চাহিদা প্রচুর। ০৩। যিনি ডিজাইন করেন সে কোন মেট্রিক্স ফলো করেন না। ০৪। প্রোডাক্টের ইউআই নিয়ে রিসার্চ হলেও তার বিজনেস সাইড বা সলিউশন কিভাবে আসবে তা নিয়ে রিসার্চ কম করা। বিঃদ্রঃ কেউ আবার কয়েকটা নিশ শেয়ার করতে বলবেন না  ;)   -Nasir bin Borhan   আরেকটা বিষয় হচ্ছে, প্রোডাক্টের কোয়ালিটি থেকে যখন কোয়ান্টিটি প্রাধান্য পায় তখন ডেভলাপমেন্ট + ডিজাইন কোয়ালিটি খারাপ থাকার কারণেও সেল কম হয়। সমস্যটা হচ্ছে সবাই শুরু করে কমন নিশ নিয়ে কাজ করে যেমন, পোর্টফলিও নিশ। তারপর অথর হয়ে গেলাম  🙄 # থিমফরেস্ট # WordPress # themes   #websitetemplates

১০ টি রহস্য যা সব প্রফেশনালরাই মেনে চলেন

  ১। মানুষকে সবার সামনে প্রশংসা করেন আর কারোর কাজের সমলোচনা করতে হলে তাকে সবার সামনে থেকে আলাদা করে তার ভুলগুলো ধরিয়ে দেন। ২। রাস্তায় অন্যের সাথে কথা বলার সময় সানগ্লাস খুলে কথা বলুন। এটি অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার একটি চিহ্ন কারণ আপনার চোখের চাওয়া আপনার কথা বলার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ৩। অন্যের কথা বলার সময় কখনোই বাধা দিবেন না। অন্যের মতামত শেষ হবার পর নিজের মতামত উপস্থাপন করুন। ৪। আপনার শব্দগুচ্ছের পরিধি বৃদ্ধি করুন। আপনি অনেক দক্ষে পরিণত হবেন। ৫। যদি আপনি অনলাইনে কাজ করেন এবং নিজের ফোনকে নিজের কাজের বাধা মনের করেন তবে এটাকে সম্পূর্ণ অফ করে অন্য রুমে রেখে দিন। ৬। এবারের বিল যদি আপনার বন্ধু দেয় তবে পরের বার আপনি দিন। ৭। কেউ আপনার কাছে পরামর্শ না চাওয়ার আগে পরামর্শ দেবেন না তাতে আপনি শুধু অবহেলা পাবেন। ৮। কারো কাছ থেকে ধার নিলে তা সময়ের মধ্যে ফেরত দেয়ার চেষ্টা করবেন। এটি আপনার দায়িত্ববোধ প্রকাশ করে। ৯। যখন কেউ আপনাকে তার মোবাইল থেকে ছবি দেখায় তখন গ্যালারি এর ডান বা বামের দিকে যাবেন না । কারণ আপনি জানেন না পরের ছবিতে কি আছে। ১০। কেউ যখন আপনার উপকার করতেছে তখন তাঁকে ধন্যবাদ জানান ।...

কিছু উপদেশ যা আমাদের প্রতিনিয়ত মনে রাখা উচিত

1 ফকির হলেও নতুন কিছু শিখতে পারবেন। 2 সব সময় নিজের মূল্য বুঝতে শিখুন। আত্মসম্মান বোধ অনেক বড় ব্যাপার । 3 কেউ যেতে চাইলে যেতে দিন। ধরে রাখতে চাওয়াটা খুবই বোকামি। 4 প্রচুর পড়াশোনা করুন। মাস্টার্স পাস করলেই পড়াশোনা শেষ এমনটা ভাবা ঠিক ন 5 অন্যের সঙ্গে আলোচনা করুন কিন্তু সিদ্ধান্ত আপনিই নেবেন। 6 লোকে আপনাকে নিয়ে কি ভাবলো কিংবা কি বললো এসবে একদম কান দেবেন না। 7 প্রচুর পানি পান করুন। পানি পান করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এটা আপনি ভাবতেও পারবেন না। 8 নিজেকে ভালোবাসুন। নিজেকে ভালো না বসতে পারলে আপনি অন্যকে ভালো বাসতে পারবেন না। 9 মাঝে মধ্যে নিজের সঙ্গে কথা বলুন। এটা অনেক বেশি প্রয়োজনীয় বিষয়। 10 জীবনে অপ্রয়োজনীয় লোকের সংখ্যা কমিয়ে দিন। 11 ইন্টারনেট বিতর্ক থেকে দূরে থাকুন। 12 কারো মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করবেন না। মনোযোগ চাওয়ার বিষয় না মনোযোগ অর্জন করার ব্যাপার। 14 মানুষকে সাহায্য করুন। একসময় তিনগুণ ফেরত পাবেন। 15 নিজের সুস্থতা - কে প্রাধান্য দিন। 16 যে আপনাকে বুঝবে না তাকে ব্যাখা দিতে যাবেন না। 17 সময় এবং টাকা এই দুটো কে অসম্মান করবেন না। 18 মাঝে মধ্যে সব কিছু থেকে বিরতি নিন। আপনি রোবট নন...

আন-অফিসিয়াল ফোন কি? || আন-অফিসিয়াল ফোনগুলো বাংলাদেশে এতো পরিমাণে আসে কিভাবে? || আন-অফিসিয়াল ফোন এর রহস্য

   আন-অফিসিয়াল ফোনগুলো বাংলাদেশে এতো পরিমাণে আসে কিভাবে? প্রচুর পরিমাণে ফোন তো ব্যক্তিগতভাবে ট্রাভেল করে আনা যায় না, তাহলে কিভাবে আসে এতো পরিমাণ ফোন? আর এরা করই বা কিভাবে ফাঁকি দেয়? আনঅফিশিয়াল ডিভাইসের পরিচিতি বাংলাদেশে মূলত শাওমি আসার পর থেকে। তারপর থেকেই এসব ডিভাইসের সাথে তরুণদের পরিচয় এবং বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। অনেকে আনঅফিশিয়াল ফোনের সাথে ক্লোন ডিভাইসগুলো মিলিয়ে ফেলেন। কিন্ত তা নয়। কেনার সময় অবশ্যই এ ব্যাপারে সাবধান থাকবেন। আনঅফিশিয়াল ডিভাইসগুলো ৩ ধরনের হয়ে থাকে। ১. চোরাই ফোনঃ  আপনি হয়তো এগুলোর কথাই বলছেন। এসব মোবাইল সাধারণত চীন থেকে ট্যাক্স ফাকি দিয়ে আনা হয়। আনার সময় বক্স খুলে আনা হয়। বড় কোন লাগেজে ফোনগুলো একসাথে এবং বক্স গুলো আলাদা ভাবে আনা হয়। সাধারণত ট্রাভেলার হিসেবে আসার সময় তারা এগুলো নিয়ে আসে। অন্যান্য চোরাই জিনিসও হয়তো এভাবেই আনা হয়। আবার ফোন কেনার সময়ও আপনি সিলড বক্স পাবেন না। এভাবেই এসবের ট্যাক্স ফাকি দেয়া হয়। বর্তমানে ইমপোর্ট করা ফোনে ৫৭% ভ্যাট বসানো হয়েছে। তাই অফিশিয়াল ডিভাইসের সাথে প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা কম হয়ে থাকে প্রতি ২০ হাজারে। তবে অবশ্যই ফোনগুলো...