#সেল্ফ_কন্ট্রোল
১৬+ থেকে ১৯+ এদের কমন ডিপ্রেশন হচ্ছে রিলেশনশিপ ব্রেকাপ এর ডিপ্রেশন।
.
যা অনেকের ই না থাকলেও ম্যাক্সিমাম দের আছে কারন বয়স টা ইমোশনের ইমম্যাচুরিটির ব্লাইন্ডলি বিলিভের।
.
যদি এই সমস্যা টা শক্ত ভাবে হ্যান্ডেল করা যায় তবে ডিপ্রেশন অনেকটাই কমে যাবে। অনেক ট্যালেন্ট ট্যালেন্ট স্টুডেন্ট ডিপ্রেশন এ থেকে নিজের লাইফের ১৩ টা বাজিয়ে দিচ্ছে কিন্তু তারা ডিজার্ভ করে মেডিকেল / ঢাবি / বুয়েট টপ পজিশন। কিন্তু দিন শেষে যাদের কাটে নিকোটিনের ধোয়ায় আর স্লিপং পিলে।
.
রিলেয় লাইফে নরমাল লাইফে লিড করা চারটি খানি কথা না।
খুব কম মানুষ ই আছে নিজেকে সব কিছু থেকে কন্ট্রোল করে সব ডিপ্রেশন থেকে কন্ট্রোল করে লস থেকে টপার হওয়া।
.
সব কিছুর সময় আছে সব কিছুর তোমাদের সময় টা আমিও পাস করে আসছি এইচ এস সি র পর থেকে শুরু করে এডমিশন অবধি কোন চিন্তাই ছিলনা।
আর এসবে সময় দেয়ার বিন্দুমাত্র চান্স ছিলনা ইভেন গ্রাডুয়েশন লাইফ শেষ কিন্তু চিন্তা একটাই নিজেকে ফিউচার এ রিপ্রেজেন্টেশান করা ইভেন বাবা র কষ্ট গুলি এক্সপেকটেশন গুলি মায়ের কষ্ট গুলি দূর করে দেয়া বোনের এক্সপেকটেশন পূরন করা।
আমি মনে করি প্রতিটা ছেলে অথবা মেয়ের এটাই টার্গেট হওয়া উচিৎ কারন নিজের বাবা মা ছাড়া কেউ কখনো বিন্দুমাত্র স্যাকরিফাইস করবে না তোমার জন্য বিলিভ ইট অর নট।
.
কাউকে ভাল লাগা দোষের কিছু না কিন্তু দোষ হচ্ছে অবুঝের মত ইমোশনাল হয়ে অন্যকে নিজের পৃথিবী ভাবা।
ইভেন নিজের পারসোনালিটি নিজের সেল্ফ রেস্পেক্ট তার মত ব্লাড কানেকশন হীন একজন মানুষের জন্য শেষ করা দিন শেষে তোমার মূল্য শূন্য।
.
সময় আছে সব কিছুর, ১৬+ থেকে ১৯+ সময় টা ইন্টার লেভেল থেকে শুরু করে এডমিশনের সময় যা আর কখনো ফিরে আসবেনা।
যদি নষ্ট করে ফেলো এক ভাল কোথাও চান্স পাবেনা তারপর পরের স্টেপ গুলি কাটাতে হবে হতাশায় যা অনেক ভয়াবহ।
.
পজিশন মেইন মানো আর না মানো ব্লাইন্ডলি বিলভ এই জেনারেশন এ হবেনা যদি হয় ১% এর কম।
তাই নিজেকে শক্ত থেকে নিজের পারসোনালিটি নিজের লিমিট ঠিক রেখে সবার সাথে মিশতে হবে, ভেবে কথা বলতে হবে যেন নিজের লিমিট ঠিক থাকে।
.
ফেসবুকের রিলেশন এক প্রকার টাইম পাস কারন রিয়েল লাইফের রিলেশনশিপ টিকেনা সেখানে ফেসবুক অনেক দূরের কথা। আরেকটা ভুল হচ্ছে আমরা মানুষের বাহ্যিক দিক দেখে কারো সাথে একবারে ডিপ্লি মেশা বোকামি কারন কেউ ভাল লিখলেই কেউ ভাল ভাবে নিজেকে রিপ্রেজেন্টেটিভ করলেই যে সে ১০০% শুদ্ধ নেভার।
কেউ শুদ্ধ না আমি তুমি অন্য কেউ কোন মানুষ ই পারফেক্ট না ফেরেশতা না। অনেকের কাছে শুনি ফেরেশতা র মত মানুষ আজিব লাগে আমরা মানুষ কে ফেরেশতা কেন বানাচ্ছি মানুষ কখনো ফেরেশতা হতে পারেনা।
কারন মানুষকে আমরা মানুষ ভাবি সব সমান কেউ বেষ্ট, ফেরেশতা হবেনা হয়ত সে কম খারাপ কম ভাল এর থেকে কিঞ্চিৎ বেশি কম কিচ্ছু না।
.
ফেসবুকের কারো প্রতি ক্রাশ তার পিক দেখে একটা কথা মাথায় রাখা উচিৎ যারা পিক আপলোড দেয় যেরকম টা দেখতিছো তার ৫০% এডিট করা সেটা বাদ দিয়ে তোমাকে ভাবতে হবে সে আসলে কেমন।
.
কারো বাহ্যিক দিক কখনো তার ভালর দিক হতে পারেনা কারন মানুষ একবারে ফেরেশতা না আবার একবারে শয়তান ও না মানুষ মানুষ ই। সেটা ভেবে মিশলে কখনো কষ্ট আসবেনা।
.
নিজের ইমোশন কে সব থেকে কন্ট্রোল করার উপায় হচ্ছে নামায পড়ে কাদা, প্রার্থনা করে নিজের লাইফের ভিত্তি খুজে পাওয়ার চেষ্টা করা।
নিজের বাবা কি করেন কতটুকু কষ্ট পান তা ভাবা নিজের মা কিভাবে স্যাকরিফাইস করতিছে সেটা চিন্তা করা।
এমনি ইমোশনাল হয়ে যাবে প্রাক্টিক্যাল বিলিভ ইট অর নট।
.
নিজের ইমোশন কে কন্ট্রোল করতে হবে নিজেকে মোটিভেট করতে হবে সেল্ফ ডিপেন্ড হতে হবে স্ট্রং পারসোনালিটির হতে হবে।
নিজের বাবা, মা ছাড়া অন্য কোন তৃতীয় ব্যক্তিকে ১০০% বিলিভ নয় ডিপেন্ড নয় ইমোশনাল নয় তার প্রতি তবেই আর ডিপ্রেশন আসবেনা সব সময় পজিটিভ লি ভাবতে হবে।
প্রাকটিক্যাল চিন্তা মাথায় রাখতে হবে বাস্তবিক চিন্তা এক্সপেকটেশন শূন্য তে রাখতে হবে।
.
Breakup এর পর নিজেকে শক্ত থেকে জিদ নিয়ে আগাতে হবে সুইসাইড পিল খাওয়া কোন সলিউশান না।
তোমার লাইফের মূল্য তোমার কাছে যত মূল্যবান তোমার বাবা মায়ের কাছে তার চেয়ে বেশি মূল্যবান।
তার থেকে বেশি ফিউচার জেনারেশন মানে তোমার সন্তানদের জন্য মূল্যবান।
তাই নিজেকে তুচ্ছ আর খারাপ লুজার ভাবার কোন প্রশ্নই উঠেনা দাতে দাত চেপে বাচতে হবে অনেক বছর সফল হয়ে বাচতে হবে।
.
নিজেকে কন্ট্রোল করতে হবে নিজেকে বিজি রাখতে হবে পড়াশুনা তে নিজেকে এন্টারটেইনমেন্ট দিতে হবে।
নিজেকে বুঝাতে হবে এই পৃথিবীতে তোমার মূল্য কত টুকু ডন্ট কেয়ার টাইপ হতে হবে স্কিপ করতে জানতে হবে।
মন্তব্যসমূহ